১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, মঙ্গলবার

বন্ধ হলো শাহবাগের ঐতিহাসিক শিশুপার্ক

আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বন্ধ হয়ে গেল ৪০ বছরের পুরনো রাজধানীর শাহবাগের ঐতিহাসিক শিশুপার্ক। জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকেই এ বিনোদন কেন্দ্রটির সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়।

শিশুপার্কের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে পার্কটি আপাতত বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ঐতিহাসিক এ পার্কে অত্যাধুনিক রাইড স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া ভূগর্ভস্থ গাড়ি পার্কিং, দৃষ্টিনন্দন জলাধার, আন্ডারপাস, মসজিদ নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২৬৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ চলবে বলে সূত্রের খবর।

তবে গত ২০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও পার্ক বন্ধের খবরটি জানেন না নগরবাসীর অনেকেই।

প্রতিদিনই শিশুসন্তানদের নিয়ে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে অনেক পরিবার। এভাবে বিনা নোটিশে এমন ব্যস্তবহুল পার্কটি বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন তারা।

বিষয়টি শিশুদের মনে একরকম ধাক্কা বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা।

তবে ভিন্নকথা বলছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সহকারী প্রকৌশলী ও শিশুপার্কের ম্যানেজার জাকির হোসেন।

নোটিশ দিয়েই পার্কটি বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ সময় পার্কের দুটি প্রবেশপথে ঝোলানো একটি বিজ্ঞপ্তির কথা জানান ম্যানেজার জাকির হোসেন।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে লেখা রয়েছে- ‘ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় শাহবাগ শিশুপার্কের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন কাজ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শিশুপার্ক সর্বসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে।

পার্কের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের কাজের সমাপ্তির পর শিশুপার্কটি সর্বসাধারণের জন্য খোলার বিষয়ে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, রাজধানীর শাহবাগে ১৯৭৯ সালে ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক’ নামে পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শিশুপার্কটি ১৯৮৩ সাল থেকে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

দীর্ঘ ৩৯ বছর পর ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পার্কটির নাম পরিবর্তন করে ‘শিশুপার্ক’ রাখে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন