২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

জেলেদের মারধর করে সাগরে নিক্ষেপ, মালামাল লুট

আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে এফবি রিসান-১ নামে একটি ফিসিং ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় জলদস্যু বাহিনীর সদস্যরা জেলেদের মারধর করে ৬ জেলেকে সাগরে নিক্ষেপ করে এবং নগদ লক্ষাধিক টাকাসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার জাল, মাছ, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়েছে।

দস্যুদের মারধরে আহত জেলেরা হলেন, ট্রলারের মিস্ত্রি আজিজুল (৫৫), মাঝি নুর ইসলাম (৪৫) জেলে ইমাম হোসেন (৪২), নিয়ামুল (৩৮), রাজ্জাক (৩৫), শামীম (৩২), মাসুম হাওলাদার (২৮), আজিজ (৪৮), রফিক শেখ (৪২), সাহেব আলী (৪৩), রব বাচ্চু (২৫), মাসুম (৩৭) ও আনোয়ার হোসেন (৪০)।

এদের বাড়ি বাগেরহাট, ভোলা ও শরণখোলার বিভিন্ন এলাকায়। আহত ১৪ জেলে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে শরণখোলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ফিরে আসা এফবি রিসান-১ ট্রলারের মালিক মৎস্য ব্যবসায়ী মনির হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বঙ্গোপসাগরের জাহাজখাড়ী এলাকায় মাছ ধরার সময় ১৫-১৬ জনের একটি দস্যুদল নামবিহীন একটি ফিসিং বোটে এসে তার ফিশিং ট্রলারে হানা দেয়। দস্যুরা বোটে উঠেই জেলেদের মারধর শুরু করে।

এক পর্যায় দস্যুরা বোটের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ এক লাখ টাকা, আহরিত তিন হাজার ইলিশ মাছ, ৪০ পিস জাল, দুইটি জেনারেটর, দুইটি ব্যাটারি, ১৪টি মোবাইল সেট, ট্রলারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। দস্যুরা এ সময় তাদের ৬ জন জেলেকে সাগরে নিক্ষেপ করে।

জালের দঁড়ি ও ফ্লোট ধরে ২/৩ ঘন্টা সাগরে ভেসে থাকার পর জেলেদের উদ্ধার করা হয়। দস্যুদের মধ্যে ৫-৬ জনের মুখোশ পরা ছিল। দস্যুবাহিনীর নাম জানা যায়নি।

শরণখোলা থানার ওসি দিলীপ কুমার সরকার জানান, এব্যাপারে কেউ থানায় আসেনি। এলে তাদেরকে আইনগত সহায়তা দেয়া হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ