২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

বাংলাদেশি যুবকের লাশ কাঁটাতারের বেড়ায়

আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

এবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মো. বাবু (২১) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার বিকালে এবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ও জগদল সীমান্তের ৩৭৩/ ২-এস পিলারের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে। তার লাশ কাঁটাতারে ঝুলছিল।

নিহত বাবু হরিপুর উপজেলার গেদুরা ইউপির মরাধার গ্রামের একরামুল হকের ছেলে।

এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাণীশংকৈল থানা ওসি আবদুল মান্নান।

স্থানীয়রা জানান, ভারতের পানিপথ এলাকার নারায়ণ চন্দ্রের ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করছিল বাবু। কাজ শেষে সোমবার বিকালে বাড়ি ফেরার পথে বাংলাদেশের ধর্মগড় ও জগদল সীমান্তের ৩৭৩/ ২-এস পিলারের বিপরীতে ভারতের শ্রীপুর বিএসএফের জওয়ানরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে ওই যুবক মারা যান। তার লাশ সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছিল।

বিজিবির ঠাকুরগাঁও-৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর জেনেছি। তবে এ বিষয়ে দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীদের মধ্যে পতাকা বৈঠক ডাকা হয়েছে।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় সীমান্তে জাহাঙ্গীর আলম (২১) বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। এর চার দিন পর হরিপুর উপজেলার মিনাপুর সীমান্তে মো. জেনারুল হক (২২) নামে আরেক বাংলাদেশি যুবক বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে তাকে নির্মমভাবে খুন করা হয়। ভারতের ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ জওয়ান অমীয় ঘোষের গুলিতে নিহত হন ফেলানী।

কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ ঝুলে থাকার দৃশ্য দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে উঠে এলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দাবির মুখে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারের বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচারকাজ শুরু হয়। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। বিএসএফের বিশেষ আদালতে মেয়ে হত্যার ন্যায়বিচার না পেয়ে ২০১৫ সালে ভারতের উচ্চ আদালতে রিট করেন বাবা নুরুল ইসলাম। এখনও মামলাটি বিচারাধীন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ