১৯শে মে, ২০১৯ ইং, রবিবার

রমজানের বাড়তি চাহিদা মেটাতে ব্যাস্ত ঝালকাঠির “মুড়ি গ্রামের” ৫শ পরিবার

আপডেট: মে ৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মো:নজরুল ইসলাম,ঝালকাঠি প্রতিনিধি: সুস্বাদু ও কেমিক্যাল মুক্ত মোটা মুড়ি উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে সারা দেশে সু-পরিচিত ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকার ২০টি গ্রামে এখন দিন রাত চলছে মুড়ি ভাজা। প্রতিদিন এ গ্রামগুলো থেকে ২/৩শ মন মুড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান হয়। রমজানের চাহিদা মেটাতে বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে মুড়ি প্রস্তুতকারী পরিবারগুলোকে।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠি, জুড়কাঠি, ভরতকাঠি, দপদপিয়া, রাজাখালি, বুড়িরহাটসহ উপজেলার ২০টি গ্রামের ৫শতাধির পরিবার বংশানুক্রমে মুড়ি ভেজে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সুস্বাদু কেমিক্যাল মুক্ত মুড়ি হিসেবে সারদেশে সমাদ্রিত এ এলাকার মোটা মুড়ি। এই গ্রামগুলো এখন তাদের আসল নাম হারিয়ে মুড়ির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আমনের বিশেষ কয়েকটি জাতের ধান প্রকৃয়াজাত করে এ মুড়ির চাল তৈরি করা হয়। এখানকার মুড়িতে কোন প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়না বলে এ মুড়ি স্বাস্থ্যসম্মত। মুড়ির কারিগরদের নিজস্ব পূঁজি না থাকায় পাইকারদের কাছ থেকে দাদন নিতে বাধ্য হয়। আর এ কাজে পরিবারের সবাই কম বেশি সহায়তা করলেও লাভের বেশিরভাগই যায় পাইকারদের পকেটে।

ঝালকাঠির ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর জানান. রমজানের বাড়তি চাহিদার কারনে মুড়ি তৈরির কারিগরদের অতিরিক্ত শ্রম দিতে হয়। তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে তাদের খোজ খবর রাখা হচ্ছে।

বছরের পর বছর মুড়ি ভেজেও শুধুমাত্র পূঁজির অভাবে ভাগ্য ফেরাতে পারেনি এই পরিবার গুলো। মুড়ি ভাজাকে কুটির শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে বিশেষ ঋনের ব্যবস্থা করা হলে এদের ভগ্য ফিরে যেতে পারে বলে অবিজ্ঞরা মনে করেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন