২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, বুধবার

শিরোনাম
*ভোলা জেলা পুলিশ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২০ এর শুভ উদ্বোধন * জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি পূর্ণগঠন  রিফাত শরীফ হত্যা, দশ আসামির ভাগ্য নির্ধারণ ৩০ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গাদের জন্য কক্সবাজারে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে ভ্যান চালু। অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় বিনিয়োগ করবে জাপান, এ বিনিয়োগ এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ হবে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ছে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে দেশেই । ইউএনওদের নিরাপত্তায় তাদের বাসভবনে নিয়োগ হচ্ছে আনসার – জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে ইউএনও’র বাসভবনে হামলায় আহত ইউএনও’র “অবস্থা গুরতর” উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে ঢাকায় । মুরগি ছড়াচ্ছে ‘সালমোনেলা’ ভাইরাস : মৃত এক, আক্রান্ত ৪৫৪

রমজানের বাড়তি চাহিদা মেটাতে ব্যাস্ত ঝালকাঠির “মুড়ি গ্রামের” ৫শ পরিবার

আপডেট: মে ৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মো:নজরুল ইসলাম,ঝালকাঠি প্রতিনিধি: সুস্বাদু ও কেমিক্যাল মুক্ত মোটা মুড়ি উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে সারা দেশে সু-পরিচিত ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকার ২০টি গ্রামে এখন দিন রাত চলছে মুড়ি ভাজা। প্রতিদিন এ গ্রামগুলো থেকে ২/৩শ মন মুড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান হয়। রমজানের চাহিদা মেটাতে বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে মুড়ি প্রস্তুতকারী পরিবারগুলোকে।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠি, জুড়কাঠি, ভরতকাঠি, দপদপিয়া, রাজাখালি, বুড়িরহাটসহ উপজেলার ২০টি গ্রামের ৫শতাধির পরিবার বংশানুক্রমে মুড়ি ভেজে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সুস্বাদু কেমিক্যাল মুক্ত মুড়ি হিসেবে সারদেশে সমাদ্রিত এ এলাকার মোটা মুড়ি। এই গ্রামগুলো এখন তাদের আসল নাম হারিয়ে মুড়ির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আমনের বিশেষ কয়েকটি জাতের ধান প্রকৃয়াজাত করে এ মুড়ির চাল তৈরি করা হয়। এখানকার মুড়িতে কোন প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়না বলে এ মুড়ি স্বাস্থ্যসম্মত। মুড়ির কারিগরদের নিজস্ব পূঁজি না থাকায় পাইকারদের কাছ থেকে দাদন নিতে বাধ্য হয়। আর এ কাজে পরিবারের সবাই কম বেশি সহায়তা করলেও লাভের বেশিরভাগই যায় পাইকারদের পকেটে।

ঝালকাঠির ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর জানান. রমজানের বাড়তি চাহিদার কারনে মুড়ি তৈরির কারিগরদের অতিরিক্ত শ্রম দিতে হয়। তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে তাদের খোজ খবর রাখা হচ্ছে।

বছরের পর বছর মুড়ি ভেজেও শুধুমাত্র পূঁজির অভাবে ভাগ্য ফেরাতে পারেনি এই পরিবার গুলো। মুড়ি ভাজাকে কুটির শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে বিশেষ ঋনের ব্যবস্থা করা হলে এদের ভগ্য ফিরে যেতে পারে বলে অবিজ্ঞরা মনে করেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ