১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

আসুন জেনে নেই গর্ভবতীর রোজা রাখার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মেনে চলা জরুরি

আপডেট: মে ৯, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রমজানে গর্ভবতীর রোজা রাখার ক্ষেত্রে শারীরিক কারণেই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এ সময়ে রোজা রাখা কষ্টকর। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে মায়ের শারীরিক অবস্থার ওপর। রোজা রাখতে গিয়ে খেয়াল রাখতে হবে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের কোনো প্রকার ক্ষতি যেন না হয়।

গর্ভবতীদের রোজা রাখা সম্পর্কে ঢাকা মেডিকেল কলেজের গাইনি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. ফজলে নূর-এ-তাওহিদা বলেন, গর্ভবতীদের যেহেতু বাড়তি পুষ্টির প্রয়োজন, তাই খাদ্য নির্বাচন করতে হবে অধিকতর ক্যালোরিসম্পন্ন। প্রয়োজন হলে মাকে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে। তিন মাসের পর সাধারণত বমির ভাব কমে যায়। এই সময়ে গর্ভবতী মায়েরা রোজা রাখতে পারেন।

আসুন জেনে নেই গর্ভবতীর রোজা রাখার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

১. সেহরিতে তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলবেন। প্রচুর পানি, শরবত ও ফলের রস পান করবেন। চা ও কফি এড়িয়ে চলবেন।

২. খেজুর খাবেন বেশি। খেজুরে অনেক বেশি ক্যালরি ও খাদ্যগুণ বিদ্যমান। এছাড়া আম, কাঁঠাল, তরমুজ, বাঙ্গি, কলা, ডাব, নারিকেল ইত্যাদি ফল পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।

৩. যেসব খাবারে বুক জ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

৪. সারাদিন পানি না খাওয়ার ফলে প্রস্রাবে হালকা জ্বালা হতে পারে। ইফতারের পর ঘন ঘন পানি খেয়ে তা পূরণ করতে হবে।

৫. কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলতে হবে। শাকসবজি, পানি, ফলমূল সঠিক পরিমাণে খেলে এটা এড়ানো সম্ভব। ৬. তবে, বেশি অসুবিধা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সিরাপ খাওয়া যেতে পারে। আবহাওয়ার কারণে গর্ভবতীর ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

৭. প্রতিদিন গোসল করে ত্বকের সমস্যা সমাধান করা যায়। হালকা জ্বর, কাশি ও অন্য যে কোনো অসুবিধায় অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন