১৯শে মে, ২০১৯ ইং, রবিবার

সুরমা ইউনিয়নে ভুজনা জামে মসজিদের বারান্দায় সোহাগের ঝুলন্ত লাশ

আপডেট: মে ১৪, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মসজিদের বারান্দা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা যুবক সোহাগ মিয়ার (২২) মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছে হত্যা, আবার কেউ বলছে আত্মহত্যা।

নিহত সোহাগ উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

সোমবার ভোরে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নে ভুজনা জামে মসজিদের বারান্দায় সোহাগের ঝুলন্ত লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার এএসআই আবু বক্কর সিদ্দিক ও কনস্টেবল মনির হোসেন লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

স্থানীয়দের ধারণা, তাকে হত্যা করে লাশটি মসজিদের লাশ বহনকারী লোহার খাটে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ তার বাড়ি এক গ্রামে, লাশ রাখা হয়েছে আরেক গ্রামের মসজিদে। আবার পরনের কাপড় পাওয়া যায় অন্য জায়গায়।

নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো রোববার রাতে সোহাগসহ পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে সোহাগের মৃত্যুর খবর পায় পরিবার।

নিহতের বাবা আব্দুল মান্নান বলেন, জমিজমা নিয়ে গ্রামের দু’টি পরিবারের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিন যাবৎ আদালতে ১০-১২টি মামলা চলমান রয়েছে। এ নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আমি ও আমার ছেলেদের বারবার হত্যার হুমকিও দিয়ে আসছিল। তাই আমার ধারণা, প্রতিপক্ষের লোকজনই আমার ছেলেকে হত্যা করে নাটকীয়ভাবে ভুজনা মসজিদের বারান্দায় লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার ঘটনা সাজিয়েছে।

দোয়ারাবাজার থানা ওসি আবুল হাসেম বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন