১৮ই জুন, ২০১৯ ইং, মঙ্গলবার

ঝালকাঠি চুরির অভিযোগে দুই শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন

আপডেট: জুন ১১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় কবুতর চুরির অভিযোগে দুই শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে উপজেলার চৌদ্দবুড়িয়া গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় নির্যাতিত শিশু রিফাত হোসেন জয়ের বাবা আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার বাদী হয়ে নলছিটি থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইউপি সদস্য ছাড়াও একজন পুলিশ কনস্টেবলকে আসামি করা হয়।

পুলিশ জানায়, চৌদ্দবুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা গৌরনদী থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. শাহ আলমের বাড়িতে শনিবার রাতে কবুতর চুরি হয়।

রোববার সকালে পার্শ্ববর্তী বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার তবিরকাঠি গ্রামের মো. সজিব হোসেন খান (১৪) ও রিফাত হোসেন জয় (১৪) নামে দুই শিশুকে আটক করে শাহ আলম ও তার ছেলেরা।

পরে সিদ্ধকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বিচার বসিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের নির্দেশ দেন। এ সময় জয়ের মাথার চুল কেটে দেন শাহ আলম। নির্যাতন ও চুল কাটার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

নির্যাতনের শিকার সজিব হোসেন খান বাকেরগঞ্জের তবিরকাঠি গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং রিফাত হোসেন জয় একই গ্রামের আবদুল কুদ্দুস হাওলাদারের ছেলে। তারা দুজনেই স্থানীয় জেড এ ভূট্টো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

মামলার বাদী আবদুল কুদ্দুস হাওলাদার বলেন, শাহ আলম একজন পুলিশ কনস্টেবল। সে আইনের লোক হয়েও নিজের হাতে বেআইনি কাজ করেছেন। আমার ছেলে ও তার বন্ধুকে মেরে আবার ব্লেড দিয়ে মাথার মাঝখান থেকে চুল কেটে দেয়।

নলছিটি থানার ওসি মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্যাতনকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন