১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
র‌্যাব-১১’র অভিযানে না’গঞ্জে ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার গণভবনে যাবেন না যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্ভবত : হারুনুর রশীদ কুড়িগ্রামে ২০১৭ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ মঠবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় যুবকের কারাদন্ড (বায়োমেট্রিক হাজিরা জালিয়াতির অভিনব কৌশল) একইসাথে দুই হাসপাতালে চাকরি করছেন ড. রমিজ কুড়িগ্রামে গ্রামীন ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিয়ের গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্বরূপকাঠিতে ১৭ তম গ্রেডিং পদ্ধতির প্রতিবাদে এফ ডব্লিউ এ কর্মচারীদের মানববন্ধন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সাবেক ছিটমহলের ৬০ তরুণ-তরুণী পেল আইটি সাপোর্ট টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষণ সনদ মোরলেগঞ্জে গাজা ও ১০৬ পসি ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যাওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাতে যাওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও নদীর জায়গা উদ্ধার অভিযানের নামে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এ আগে গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। পরে আহত ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর উচ্ছেদ অভিযান পুণরায় শুরু হয়।

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, অভিযান চলাকালে বেলা ১১টার দিকে শ্বশানঘাটের ইজারাদার ইব্রাহিম আহমেদ রিপন উচ্ছেদ কার্যক্রমে বাধা দেন। এক পর্যায়ে রিপন তার দলবল নিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানসহ পাঁচজনের গায়ে আঘাত লাগে। তবে তা গুরুতর নয়।

জানা গেছে, উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা হামলাকারীদের ঠেকাতে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত পুলিশ ডাকা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আটক করা হয় ইজারাদার ইব্রাহিমের ছোট ভাই বাপ্পীসহ তিনজনকে। তবে পালিয়ে যান ইজারাদার। তাকে আটক করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঢাকা নদী বন্দরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, এতদিন নদীর তীরে অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও দখলদাররা কিছু করার সাহস পায়নি। অভিযানে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের একাধিক বহুতল ভবন, দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলের শ্বশুরবাড়িও বাদ যায়নি। অভিযানকারী দলের ওপর হামলার কেউ সাহস করেনি। কিন্তু চতুর্থ পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ের অভিযানের তৃতীয় দিনে এসে এমন ঘটনা ঘটল।

হামলার ঘটনায় আহত ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে প্রায় ঘণ্টাখানেক সময় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ থাকে। পরে বিআইডব্লিউটিএর অপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান হাকিম ঘটনাস্থলে আসলে তার নেতৃত্বে পুরনায় অভিযান শুরু হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন