২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, সোমবার

ফেঁসে যাচ্ছেন বরিশাল আনসার অফিসের সি.এ. মামুন

আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মহিলা আনসার প্লাটুন কমান্ডার নিয়োগে অনিয়ম এবং বিভিন্ন দপ্তরে এ নিয়ে অভিযোগ ও বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করার পরে নড়ে চড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ ।

সূত্রে জানায়, ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেখানে সার্কেল এডজুডেন্ট অফিসার (সি.এ.) মামুন হাওলাদার ও মুক্তা বেগমের দূর্নীতির বিশাল প্রমান পেয়েছে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ। এমনটাই জানিয়েছেন জাহানারা বেগমের স্বামী মিজানুর রহমান। শুধু তাই নয়, সার্কেল এডজুডেন্ট অফিসার মামুন হাওলাদারের বিরুদ্ধে আর এক ভুক্তভুগি জামাল হোসেনের করা অভিযোগের বিষয়টি নিয়েও তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে।

তবে সি.এ. মামুন হাওলাদার এর বিরুদ্বে দূর্নীতির এমন কড়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর অনেকটাই আত্মগোপনে রয়েছে তিনি।

সূত্র জানায়, বরিশালে নিয়োগ কমিটির দুই আনসার কর্মকর্তার চাহিদা অনুযায়ী সুবিধা দিতে না পারায় অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ আনসার বাহীনির সাথে কাজ করে আসছেন মেহেন্দীগঞ্জের চরএকররিয়া এলাকার মৃত আঃ সোবাহান সিকদারের মেয়ে ও আনসার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জাহানারা বেগম।

২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বরসহ বিভিন্ন র‌্যালীতে সাধারণ সদস্যদেরকে নিয়ে অংশগ্রহণ এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা আনসার প্লাটুন মহিলা কমান্ডার হিসাবে অস্থায়ীভাবে সুনামের সাথে কাজ করে আসছেন তিনি।

ইতিমধ্যে সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা আনসার মহিলা প্লাটুন কমান্ডারের নিয়োগ বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। জাহানারা বেগম তার কাগজপত্র মেহেন্দিগঞ্জ থানা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে জমা দেন। যাচাই বাছাই শেষে তার নামের তালিকা ও কাগজপত্র বরিশাল জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।

গত বছর ৩০ অক্টোবর জেলা অফিসে বাছাই করে তিনজন মহিলার মধ্যে সে ১নং সিরিয়ালে থাকে। এরপরেও মুক্তা বেগমের আনসার প্রশিক্ষণের সনদপত্র না থাকা সত্ত্বেও তাকে আনসার প্লাটুন কমান্ডার হিসাবে নিয়োগ দেয় জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের সার্কেল এডজুডেন্ট মোঃ মামুন হাওলাদার ও বাবুগঞ্জ উপজেলা মহিলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) প্রশিক্ষিকা নাহিদা বেগম।

জাহানারা বেগম অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বাছাই শেষে বরিশাল জেলা কার্যালয়ের কমিটির কর্মকর্তারা তার কাছে যে সুবিধা চেয়েছিল সেই সুবিধা দিতে রাজি না হওয়ায় তার (জাহানারা) নাম বাদ দিয়ে মুক্তা বেগমকে মহিলা প্লাটুন কমান্ডার এবং ৫ ফুটের নিচে অন্য একটি মেয়েকে জাল সনদপত্র তৈরী করে মহিলা প্লাটুনে অন্তর্ভূক্ত করে। সার্কেল এডজুডেন্ট মামুন হাওলাদার ও নাহিদা আক্তারের যোগসাযোসে জাহানারা বেগমের নাম বাদ দিয়ে তাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুলাই) মেহেন্দীগঞ্জের চরএকররিয়া এলাকার মৃত আঃ সোবাহান সিকদারের মেয়ে ও সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জাহানারা বেগম স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন জাহানারা বেগম।

এ ব্যাপারে জেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের সার্কেল এডজুডেন্ট মোঃ মামুন হাওলাদারকে ফোন করা হলেও নাম্বার ব্যাস্ত পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্বব হয়নি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন