১৮ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, সোমবার

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হাতে‘বীরগাঁথা তুলেদিতেচানকুড়িগ্রামের জেলাপ্রশাসক একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সুযোগ পেয়েও টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত অনিকের বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় মূল্যবান ধাতব মুদ্রাসহ ৯ প্রতারক গ্রেফতার আয় কর বিভাগকে মানুষকে আস্থার মধ্যে এনে কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতেহবে- মান্নান এমপি গোপালপুরে সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল খরায় জিম্বাবুয়েতেএখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ন্যাশনাল পার্কে ২০০ হাতির মৃত্যু মানহানি মামলায় পিরোজপুরে চার প্রাথমিক শিক্ষকের কারাদন্ড মঠবাড়িয়ার কৃতিসন্তান শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে জাপা নেতার অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

স্ত্রীকে প্রকাশ্যে জবাই করায় স্বামীর ফাঁসি

আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রাজশাহীতে স্ত্রীকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করার অপরাধে আয়নাল হক (৩০) নামে এক আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী মহানগর দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক ওএইচএম ইলিয়াস হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত আয়নাল হক রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ পবা উপজেলার বায়া ভোলাবাড়ি গ্রামের একরাম আলীর ছেলে।

২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে বাড়ির সামনে আয়নাল প্রকাশ্যে তার স্ত্রী সাফিয়া খাতুন ওরফে বুলবুলিকে (২৫) জবাই করে হত্যা করেন। ঘটনার পর সেদিনই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ নিয়ে রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানায় আয়নালের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন বুলবুলির বাবা জয়নাল আলী। পবা উপজেলার মদনহাটি গ্রামে জয়নালের বাড়ি। মামলায় ২০ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছিল। আদালত তাদের সবার সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করা হলো।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুস সালাম জানান, আসামি আয়নাল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। তাছাড়া ঘটনাটি ঘটেছিল প্রকাশ্যে। সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর ভিত্তিতে আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। এ রায়ে তিনি সন্তোষ্ট। আসামি অবশ্য এ রায়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপীল করতে পারবেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আয়নাল হক আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। আয়নালের মা শাহেদা বেগম দাবি করেন, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে আয়নাল এক দিন কাজে গিয়ে চার দিন বসে থাকতেন। আর সারাক্ষণ বাড়িতে বক বক করতেন। এ রায়ে তিনি অসন্তোষ্ট। ছেলের সাজা কমানোর জন্য তারা উচ্চ আদালতে আপীল করবেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন