১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
বগুড়ায় ১৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে আশা কৃর্তৃক বৃত্তি প্রদান করেছে পিরোজপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি চ্যানেল ৩৬৫ এর পক্ষ থেকে ফরচুন সুজ লিঃ চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা র‌্যাব-১১’র অভিযানে না’গঞ্জে ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার গণভবনে যাবেন না যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্ভবত : হারুনুর রশীদ কুড়িগ্রামে ২০১৭ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ মঠবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় যুবকের কারাদন্ড (বায়োমেট্রিক হাজিরা জালিয়াতির অভিনব কৌশল) একইসাথে দুই হাসপাতালে চাকরি করছেন ড. রমিজ কুড়িগ্রামে গ্রামীন ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিয়ের গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

না’গঞ্জে ব্রান্ডের স্টিকার লাগানো নকল প্রসাধনী ও নকল ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরির কারখানার সন্ধান

আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃসিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল এলাকায় নকল প্রসাধনী ও নকল স্টিকার লাগানো ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বুধবার (২ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে এই অভিযান শুরু হয়। প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী ও নকল স্টিকার লাগানো ইলেকট্রনিক পণ্য জব্দ করেছে পুলিশ।

নারায়ণঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করছে। মুনস্টার মার্কেটিং প্রাইভেট লিমিটেড ও ম্যাক্স ইলেকট্রো ইন্ডাস্ট্রিজ নামে দুই প্রতিষ্ঠানের মালিক বেলায়েত হোসোন পলাতক থাকলেও স্টাফসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন- অহিদুল ইসলাম (৩৫), সিরাজুম ইসরাম (১৮), সোহাগ (২৪), আমিনুল ইসলাম (৩২), রাজীব (১৮), মাইনুল ইসলাম (৩২), মেহেদী হাসান (১৮) ও একাউন্ট অফিসার সাইফুল ইসলাম (৩৫)।

পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ জানান, ‘মুনস্টার মার্কেটিং প্রাইভেট লিমিটেড ও ম্যাক্স ইলেকট্রো ইন্ডাস্ট্রিজ নামে দুই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নকল প্রসাধনী ও ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরি করে আসছিল। ধানমন্ডির বাসিন্দা বেলায়েত হোসেন নামে এক ব্যক্তি সিদ্ধিরগঞ্জের একটি জায়গায় নকল প্রসাধনী তৈরি করেন এবং বাজারজাত করেন৷ আমরা খবর পাওয়ার পর রাত ১১টায় অভিযান চালাই৷ জাপান, ইন্ডিয়া, চায়না, লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্সহসহ বিভিন্ন দেশের নামে ময়লা পানি, রং ও সেন্ট দিয়ে এসব বানাচ্ছিল তারা৷ কুবরা, ফগ, রয়েল, এয়ার ফ্রেশনারের মতো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে এসব তারা বাজারজাত করতো৷’

তিনি আরও বলেন, ‘পরে আরেকটি গোডাউনে গিয়ে দেখি ৬৫ ইঞ্চি, ৭০ ইঞ্চির টিভি বানাচ্ছেন তারা৷ সনি, স্যামসাং, এলজি, প্যানাসনিকসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের টিভি ও মাইক্রো-ওভেন তৈরি করছেন৷ বিভিন্ন ব্রান্ডের নাম থাকলেও এগুলো সব ভুয়া৷ আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ এদের দ্বারা প্রতারিত হচ্ছে৷ এ সকল প্রতারক চক্র বিশাল বড় গোডাউনে এসব তৈরি করছে এবং সরকারের বিশাল অঙ্কের ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে৷’

এসপি বলেন, ‘তারা ৫০-৬০ কোটি টাকার প্রায় লক্ষ লক্ষ টিভি তারা বানিয়েছে৷ আমরা অভিযান না চালালে এগুলা তারা বাজারজাত করতো৷ তাদের সেন্ট ও প্রসাধনীগুলো খুবই বাজে৷ মানুষ এসব ব্যবহার করলে তাদের চামড়া নষ্ট হয়ে যাবে৷ ক্যান্সার রোগ হবারও সম্ভবনা রয়েছে৷’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষকে যে প্রতারিত করছে সে আইনে আমরা মামলা নেবো৷ মূল হোতাকেও আইনের আওতায় আনা হবে৷ জব্দ করা পণ্য সামগ্রীর মূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা বলেও জানান পুলিশ সুপার।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন