১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
চ্যানেল ৩৬৫ এর পক্ষ থেকে ফরচুন সুজ লিঃ চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা র‌্যাব-১১’র অভিযানে না’গঞ্জে ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার গণভবনে যাবেন না যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্ভবত : হারুনুর রশীদ কুড়িগ্রামে ২০১৭ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ মঠবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় যুবকের কারাদন্ড (বায়োমেট্রিক হাজিরা জালিয়াতির অভিনব কৌশল) একইসাথে দুই হাসপাতালে চাকরি করছেন ড. রমিজ কুড়িগ্রামে গ্রামীন ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিয়ের গীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্বরূপকাঠিতে ১৭ তম গ্রেডিং পদ্ধতির প্রতিবাদে এফ ডব্লিউ এ কর্মচারীদের মানববন্ধন কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সাবেক ছিটমহলের ৬০ তরুণ-তরুণী পেল আইটি সাপোর্ট টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষণ সনদ

করুণ পরিণতিতে মৃত্যু বলিউডের হিট নায়িকার

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

দীপিকা পাডুকোন বা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মতো হয়তো সবাই এক নামে তাঁকে চেনেন না, তবে দক্ষিণী ফিল্মে আশির দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন নিসা নুর। ‘কল্যানা আগাথিগাল’, ‘লায়ার দ্য গ্রেট’, ‘টিক! টিক! টিক!’-এর মতো প্রচুর হিট ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। মূলত তামিল এবং মালায়লম ফিল্মই তিনি করতেন।

এমন হিট নায়িকার জীবন কিন্তু ছিল হতাশায় ভরা, শেষ জীবনে অর্থকষ্টে রাস্তায় কাটাতে হয়েছে তাঁকে। গায়ে পোকা, মাছি বসে থাকত। শেষে এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

নিসা নুরের অভিনয়ের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। বালাচন্দন, বিষু, চন্দ্রশেখরের মতো এককালের নাম করা সব পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। শোনা যায়, রজনীকান্ত এবং কামাল হাসন তাঁর রূপে-গুণে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, তাঁর সঙ্গে অভিনয় করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।

দক্ষিণী এই দুই সুপারস্টারের সঙ্গেও টেলিভিশন স্ক্রিনে রোম্যান্স করতে দেখা গিয়েছে নিসা নুরকে। এ হেন জনপ্রিয়তাই তাঁর ক্ষেত্রে কাল হয়ে গিয়েছিল। খুব তাড়াতাড়ি তাঁর কেরিয়ারের ‘দি এন্ড’ হয়ে যায়। ভীষণ অপ্রত্যাশিত ভাবেই আচমকা ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যান তিনি।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইন্ডাস্ট্রি তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কেউই তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছিলেন না। বাধ্য হয়েই ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন নিসা নুর। কাজ হারিয়ে ক্রমে আর্থিক দুরবস্থার মধ্যে পড়েন তিনি। দিনের পর দিন খেতে পেতেন না। এই সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোরও কেউ ছিল না।

অনেক বছর পর ২০০৭ সালে চেন্নাইয়ের একটি দরগার বাইরে রাস্তায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কঙ্কালসার চেহারা, মলিন পোশাক, গায়ে পোকা, মাছি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি এতটাই শীর্ণ ছিলেন যে মাছি তাড়ানোরও শক্তি ছিল না দেহে। দেখে বোঝার কোনও উপায়ই ছিল না যে তিনিই সেই নিসা নুর।

তাঁকে চিনতে পেরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সেখানে চিকিৎসায় ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল মাত্র ৪৪ বছর বয়সে এইডসে তাঁর মৃত্যু হয়। আনন্দবাজার

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন