১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, রবিবার

শিরোনাম
সাংবাদিকদের এখন থেকে বুফের মাধ্যমে খাওয়াবো: পাপন বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, পাঁচটি ট্রেনে আগুন-ভাঙচুর প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের ধর্ষণ—কন্যা সন্তানের মা হলো ১২ বছরের শিশুটি র‌্যাব-১১’র অভিযানে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-৪ আসামে বাংলাদেশি দূতের গাড়িতে হামলা, নিরাপত্তা জোরদার বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র আসাম, ঝরলো ৫ প্রাণ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এক ধরণের প্রতারণা : গাম্বিয়া ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন কুরআন শরিফ কম ছাপিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি বরিশালে স্কুলছাত্রীকে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণ, পাহারা দেন শিক্ষিকা

করুণ পরিণতিতে মৃত্যু বলিউডের হিট নায়িকার

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

দীপিকা পাডুকোন বা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মতো হয়তো সবাই এক নামে তাঁকে চেনেন না, তবে দক্ষিণী ফিল্মে আশির দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন নিসা নুর। ‘কল্যানা আগাথিগাল’, ‘লায়ার দ্য গ্রেট’, ‘টিক! টিক! টিক!’-এর মতো প্রচুর হিট ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। মূলত তামিল এবং মালায়লম ফিল্মই তিনি করতেন।

এমন হিট নায়িকার জীবন কিন্তু ছিল হতাশায় ভরা, শেষ জীবনে অর্থকষ্টে রাস্তায় কাটাতে হয়েছে তাঁকে। গায়ে পোকা, মাছি বসে থাকত। শেষে এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

নিসা নুরের অভিনয়ের প্রশংসা ছড়িয়ে পড়েছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। বালাচন্দন, বিষু, চন্দ্রশেখরের মতো এককালের নাম করা সব পরিচালকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। শোনা যায়, রজনীকান্ত এবং কামাল হাসন তাঁর রূপে-গুণে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, তাঁর সঙ্গে অভিনয় করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।

দক্ষিণী এই দুই সুপারস্টারের সঙ্গেও টেলিভিশন স্ক্রিনে রোম্যান্স করতে দেখা গিয়েছে নিসা নুরকে। এ হেন জনপ্রিয়তাই তাঁর ক্ষেত্রে কাল হয়ে গিয়েছিল। খুব তাড়াতাড়ি তাঁর কেরিয়ারের ‘দি এন্ড’ হয়ে যায়। ভীষণ অপ্রত্যাশিত ভাবেই আচমকা ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যান তিনি।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইন্ডাস্ট্রি তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কেউই তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইছিলেন না। বাধ্য হয়েই ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন নিসা নুর। কাজ হারিয়ে ক্রমে আর্থিক দুরবস্থার মধ্যে পড়েন তিনি। দিনের পর দিন খেতে পেতেন না। এই সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোরও কেউ ছিল না।

অনেক বছর পর ২০০৭ সালে চেন্নাইয়ের একটি দরগার বাইরে রাস্তায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কঙ্কালসার চেহারা, মলিন পোশাক, গায়ে পোকা, মাছি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনি এতটাই শীর্ণ ছিলেন যে মাছি তাড়ানোরও শক্তি ছিল না দেহে। দেখে বোঝার কোনও উপায়ই ছিল না যে তিনিই সেই নিসা নুর।

তাঁকে চিনতে পেরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সেখানে চিকিৎসায় ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল মাত্র ৪৪ বছর বয়সে এইডসে তাঁর মৃত্যু হয়। আনন্দবাজার

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন