১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, বুধবার

শিরোনাম
শিববাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার ও সততা ষ্টোর উদ্বোধন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন নতুন আইন বিষয়ে মালিক-শ্রমিকদের নিয়ে বগুড়ায় মতবিনিময় সভা জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দদের অভিনন্দন জানিয়ে বগুড়ায় আনন্দ র‌্যালী বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থ সকলকে সরকারিভাবে সহায়তা করা হবে : গণপূর্ত মন্ত্রী বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় জিডি বানারীপাড়ায় ঘরের মেঝেতে কবর খুঁড়ে স্ত্রীকে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা বরিশালে অস্ত্রসহ জলদস্যু গ্রেফতার লালমনিরহাটেকথিতভুয়াসাংবাদিক ৬৪০ পিচইয়াবাসহআটক ঠ্যালায় পড়ে নূর হোসেনের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা

কিশোর গ্যাং’র আড্ডার পছন্দের স্থান নদীর পার

আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক॥বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন ও মুক্তিযোদ্ধা পার্ক নদীর পাড়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিয়মিত বসছে কিশোর গ্যাং কালচারে আড্ডা। সেখানে নদীর তীরে আড্ডা, নতুন বন্ধু জোগাড়, মাদক সেবন, ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা সবই হয়। শুধু তাই নয় নদীর পারে থাকা জাহাজ গুলোর মধ্যে বসে জুয়া ও ইয়াবা সেবনের নিরাপদ স্থান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্যাং কালচারের জন্ম মহল্লা থেকে হলেও এদের সক্রিয়তা বাড়ে আড্ডায়। আর এই আড্ডার মাধ্যমেই তারা জড়িয়ে পড়ছে ছিনতাই এবং মাদকে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় সামনে এসেছে কিশোর গ্যাংয়ের নানা তথ্য। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আটক হয়েছে বেশ কিছু গ্যাংয়ের সদস্যদের। আর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গ্যাং কালচার পুরোপুরি নির্মূলের কথা। বেশ কিছু দিন ধরে কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয়তা বেড়েছে নদীর পাড়ে। বরিশাল নগরের ত্রিশ গোডাউন , মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, দপদপিয়া ব্রিজ, স্টিডিয়াম কলোনীর পিছনে নদীর পাড় এলাকায় দেখা মিলেছে কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্যের। বস্তির সংলগ্ন নদীর পারের চায়ের দোকান, সিঙ্গারার দোকানের তৈরি নদীর মধ্যে বসার স্থান গুলোতে কিশোরের আনাগোনা নিয়মিত। প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে তারা এখানে জড়ো হতে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতীরে বাড়ে সদস্যের সংখ্যা। আর বিকাল হতেই শুরু হয় মাদকের আড্ডা। স্থানীয় অনেকেই বিপদের শঙ্কায় এবিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে অনেকেই জানালেন এসব গ্যাং সদস্যের সক্রিয়তার কথা। ভাটার খালের হাসিব নামের এক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা শিপ থেকে মাল নামাই। বিকালের মধ্যে আমগো কাজ শেষ হয়। শিপ তো ঘাটেই থাকে। ঐসব পোলাপান আইসা শিপে ওঠে। জাহাজে বসে গাঞ্জা খাইয়া গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দেয়। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে সাহস পাইনা। কারণ আমরা দূর থেকে জাহাজ নিয়ে আসছি। বালু, চাল বোঝাই জাহাজের শ্রমিকদের বসবাস জাহাজেই। স্থানীয় ছেলেদের সঙ্গে ঝামেলা করতে গেলে উল্টো নিজেরা বিপদে পড়তে পারেন এমন শঙ্কায় এসব কিশোরকে কেউ কিছু বলছে না। অন্যদিকে স্টিডিয়াম কলোনীর পিছনে অবস্থিত একাধিক দোকানের সামনে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে সরকার জনগনের জন্য তৈরি করেছে বিনোদন স্পট। বিনোদন স্পটটি বর্তমানে দখলে রয়েছে ব্যাবসায়ী ও কিশোর গ্যাং হাতে। শুধু তাই নয় সেখানে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেখা যায় কিশোর গ্যাং গ্রুপের আড্ডা। কিছু দিন আগে দেখা গেছে ঝালকাঠি,পিরাজপুর ও বরগুনায় গভীয় রাতে কিশোর গ্যাং গ্রুপের আড্ডা খানায় পুলিশকে অভিযান চালাতে। কিন্তু বরিশালে এখন পর্যন্ত পুলিশের তেমন কোন বড় অভিযান চালাতে দেখা যায়নি কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (গোয়েন্দা শাখা) নরেশ কর্মকার বলেন বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। তবে,আমি আমার অফিসারদের নিয়ে একটি মিটিং করে গ্যাং পয়েন্ট গুলোতে করে অভিযানে নামবো।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন