৩১শে মে, ২০২০ ইং, রবিবার

সেন্টমার্টিনে ১২০০ পর্যটকের করুন পরিনতি!

আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি::ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারনে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ৩নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন থেকে ফিরতে পারেনি প্রায় ১২০০ পর্যটক।

পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আজ শুক্রবার সকালে টেকনাফ জাহাজঘাট থেকে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। সে হিসেবে প্রবাল দ্বীপে আটকে থাকা পর্যটকেরা আজ শুক্রবার ফিরতে পারছেন না।

দ্বীপের আবাসিক হোটেলগুলোতে তারা নিরাপদে অবস্থান করছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গন্তব্যে ফিরবে আটকে পড়া পর্যটকেরা।

সেন্টমার্টিন ইউপি সদস্য হাবিব খান মুঠোফোনে জানান, বৃহস্পতিবার বেড়াতে আসা পর্যটকদের অনেকে টেকনাফ ফিরেনি। হঠাৎ বৈরি আবহাওয়ায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আটকে গেছে। তবে, স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছে।

সেন্টমার্টিন থেকে না ফেরা পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১২০০ হবে বলে জানান হাবিব মেম্বার। সমুদ্রে ৩ নং সতর্ক সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিনগামী কোনো জাহাজ আজ শুক্রবার না ছাড়তে নির্দেশ জারী করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জারিকৃত এই নোটিশ যথারীতি সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত মতে সকালে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথে কোনো জাহাজ ছাড়েনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনেক পর্যটকের টিকিটের টাকা ফেরত দেয় জাহাজ কর্তৃপক্ষ। এতে করে মৌসুমের শুরুতেই একটি ধাক্কা খেলো পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের আবাসিক কটেজ সী প্রবালের মালিক আব্দুল মালেক জানান, ৮-১১ নভেম্বর এই ৪ দিন তার কটেজ বুকিং ছিলো। ইতোমধ্যে অনেক পর্যটক সেন্টমার্টিন গিয়ে পৌঁছেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে হঠাৎ সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের ব্যবসার বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল।

উল্লেখ্য, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে বর্তমানে কেয়ারি ক্রুজ এন্ড ডাইন, দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ, এমভি ফারহান ও এমভি বে-ক্রুজার চলাচল করছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন