৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং, বুধবার

কখনো তিনি পুলিশের এডিসি, কখনো ডিআইজি

আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক::পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে টাকা দ্বিগুণ করে দেওয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রিফাত আহম্মেদ ওরফে রুবনের (৩০) বিরুদ্ধে। গত শনিবার রাতে দিনাজপুরের পাহাড়পুর থেকে এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার মনিটরিং টিম। রিফাত ওই এলাকার মাহফুজুল হকের ছেলে। কখনো তিনি পুলিশের এডিসি, কখনো ডিআইজি পরিচয়ে, আবার কখনো সিআইডি কিংবা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তা বনে যেতেন।

গতকাল রবিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল জানান, সিআইডির সাইবার টিম বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়মিতভাবেই মনিটরিং করে। এতে দেখা যায়, ফেসবুকে রিফাত আহমেদ নামের এক ব্যবহারকারী তার আইডির প্রোফাইল এবং কভার পিকচারে পুলিশের ছবি ব্যবহার করছেন। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য তার আইডিতে বিভিন্ন সময় পোস্ট দিচ্ছেন এবং নিজেকে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার এবং সিআইডির অফিসার পরিচয় দিয়েও পোস্ট দিচ্ছেন।

বিষয়টি সাইবার মনিটরিং টিম পর্যবেক্ষণে রেখে তাকে শনাক্তের চেষ্টা চালায়। এরই মধ্যে সিআইডির ফেসবুক পেজে বেশ কয়েক জন ওই আইডি সম্পর্কে অভিযোগ জানান। এর ভিত্তিতেই দিনাজপুরের পাহাড়পুর থেকে সাইবার পুলিশ সেন্টারের সিনিয়র এএসপি জুয়েল চাকমা এবং এসএসপি চাতক চাকমার নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকা থেকেই প্রতারণামূলকভাবে ফেসবুক আইডিটি পরিচালনা করে আসছিলেন। এমনকি কয়েক মাস ধরে বিকাশ ও রকেট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ২০ থেকে ৩০ জনের কাছ থেকে অর্থ নেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন