২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

দক্ষিণাঞ্চলে করোনা পরীক্ষা বন্ধ ৪ দিন

আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) আরটি-পিসিআর ল্যাবটি গত ৪ দিন ধরে বন্ধ থাকায় দক্ষিনাঞ্চলের ৬টি জেলার মধ্যে ৫টির করোনা’র নমুনা পরীক্ষা প্রায় বন্ধ রয়েছে। এ অঞ্চলের প্রথম এ আরটি-পিসিআর ল্যাবটি সংক্রমিত হওয়ায় দিন চারেক আগে তা বন্ধ করে দিয়ে জীবানুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। আজকালের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার আশা করছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। ফলে বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি থেকে সীমিত কিছু নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠিয়ে ফলাফলের জন্য দীর্ঘ কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এদিকে নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে দক্ষিণঞ্চলে করোনা সংক্রমনের হার প্রায় ৩০ ভাগ হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু মৃতুর হার বেড়েছে ৫০% ভাগের বেশী। গত অক্টোবরে দক্ষিণাঞ্চলের ৬ জেলায় কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৫১৭। মৃত্যু হয়েছিল ৫ জনের। কিন্তু আক্রান্তের এ সংখ্যা নভেম্বরে প্রায় ৩৫% বেড়ে ৮৬১’তে উন্নীত হয়। তবে মৃতুর সংখ্যা ছিল ৮ জন। ডিসেম্বর মৃতের সংখ্যা আগের মাসের চেয়ে আরো ৫০% বেড়ে ১৩ জনে উন্নীত হলেও আক্রান্তের সংখ্যা দু মাস আগে অক্টোবরের কাছে ৫২০’এ হ্রাস পায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভাইরোলজিষ্ট জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বিষদ গবেষনার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ শীতের এ সময়ে করোনা ভাইরাসের বিস্তৃতির যে আশংকা করা হয়েছিল, তা এখনো লক্ষণীয় নয়। তবে এজন্য আত্মতুষ্টির কোন অবকাশ নেই। পুরো পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজরদারীসহ সকলকে পরিপূর্ণভাবেই স্বাস্থ্য সচেতনতা অবলম্বনের তাগিদও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
এদিকে সোমবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৩৭৬ জনের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমিত হিসেবানুযায়ী সুস্থ রোগীর সংখ্যাও ৯ হাজার ৭৬৯ বলে জানানো হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যাও ১৯৬ বলে জানানো হয়েছে। আর আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলার সংখ্যাই এখনো শীর্ষে। জেলাটিতে সোমবার সকাল পর্যন্ত ৪ হাজার ৭১৫ আক্রান্ত হলেও এর মধ্যে শুধু মহানগরীতেই আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার। আর জেলাটিতে মৃত ৮৪ জনের মধ্যে মহানগরীতে মারা গেছেন ৪৬ জন। পটুয়াখালীতে সোমবার সকাল পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ১ হাজার ৭০৭ জনের মধ্যে মারা গেছেন ৪১ জন। পিরোজপুরে আক্রান্ত ১ হাজার ১৬০ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। বরগুনাতে ১ হাজার ২৩ জনের মধ্যে মারা গেছেন ২১ জন। ভেলাতে ৯৪৩ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আর ঝালকাঠিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮২৮ জন হলেও মৃত্যু ঘটেছে ১৬ জনের।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ