২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

কাশ্মীরে ৪ পাকিস্তানি যোদ্ধাকে হত্যা করল ভারতীয় পুলিশ

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর হাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দক্ষিণ কাশ্মীরে চার পাকিস্তানি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার কাশ্মীরে এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায় ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স। খবর ইয়ানি শাফাক

এতে বলা হয়, শোফিয়ান জেলার শিরমাল গ্রাম থেকে বন্দুকযুদ্ধের পর চার জঙ্গির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

এদিকে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত চার জঙ্গিদের মধ্যে একজন শামছুল মেগনো উত্তর ভারতে কর্মরত এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার ভাই বলে মনে করা হয়।

ওই প্রতিবেদন আরও বলা হয়, শোফিয়ান জেলায় তাদের হত্যার পর মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। এ সময় ভারতীয় বাহিনী প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে ছয়জন সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের গুলিতে আহত সাংবাদিক ওয়াসিম আনরাবি গণমাধ্যকে বলেন, আমরা ক্যামেরা চালু করে ভারতীয় বাহিনীর দিকে তাক করে রাস্তা পার হতে চয়েছিলাম। আমাদের গায়ে তখন প্রেস লেখা পোশাক ছিল। তখন তারা গুলি চালায়।

কাশ্মীরের হিমালয় অঞ্চলে অধিকাংশ মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকা। পাকিস্তান ও ভারত দু’দেশই তাদের নিজেদের একটি অংশ মনে করে। এদিকে কাশ্মীরের একটি ছোট অংশ চীনের হাতে রয়েছে।

কাশ্মীর ১৯৪৭ সালে ভাগ হয়। ভারত-পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে তিনবার যুদ্ধ করেছে। এর মধ্যে ১৯৪৮, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধ উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও ১৯৮৪ সাল থেকে উত্তর কাশ্মীরের সিয়াচেন হিমবাহে পাকিস্তান ও ভারতের সেনাবাহিনীর মধ্যে থেমে থেমে যুদ্ধ হয়। দু’দেশের মধ্যে ২০০৩ সালে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

জম্বু ও কাশ্মীরের কয়েকটি কাশ্মীর গোষ্ঠী ভারতের শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীন হতে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে অথবা প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের জন্য একত্রীকরণের কাজ করছে।

কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুসারে ১৯৮৯ সাল থেকে এ অঞ্চলে বিভিন্ন সংঘর্ষে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ