১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

নওগাঁর আত্রাইয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে বঁটি দিয়ে কোপাল আসামির মা

আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আত্রাইয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে আসামির স্বজনদের হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন আহত হয়েছেন।

আহতদের উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালীকাপুর ইউনিয়নের মদনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন- মা সূর্যভান (৪৫), বোন নাজমা খাতুন (২০) ও পাখি (১৮)ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সোহেল রানা। আসামি ও আটককৃতদের বাড়ি একই এলাকায়।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলা নারী ও শিশু নির্যাতন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থেকে উপজেলার মদনডাঙ্গা গ্রামের সোহেল রানার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। থানার ওসি মোবারক হোসেন মামলার দায়িত্ব দেন এএসআই মনির উদ্দিনের ওপর।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে আসামি সোহেল রানাকে আটকের জন্য পুলিশ কনস্টেবল আজিজুল হককে সঙ্গে নিয়ে মদনডাঙ্গা গ্রামে যান মনির উদ্দিন। এ সময় সোহেলের বাড়ি থেকে সোহেলকে আটক করা হয়। ঘটনায় সোহেলের মা ও দুই বোন সোহলেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। পরে সোহেলের মা ধারালো বঁটি (দা) দিয়ে মনির উদ্দিনের ওপর হামলা করেন। এ সময় মনির উদ্দিনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন।

হামলায় মনির উদ্দিনের ডান বাহুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরতর জখম হয়। তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা কনস্টেবল আজিজুল হকও আহত হন। পরে থানা পুলিশে সংবাদ দিলে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে আটক করে। আহত পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজনকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তাকে হামলার পর আটক আসামির স্বজন

এ বিষয়ে আত্রাই ওসি মোবারক হোসেন যুগান্তরকে বলেন, যৌতুকের মামলার আসামি ছিলেন সোহেল রানা। তাকে আটক করা হলেও তার স্বজনরা তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলা করে। পরে থানা পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে আটক করা হয়। সরকারি কাজে বাধাপ্রদান করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ