৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

৩৩ বছরের পুরনো ড্রেজার জুনিয়র হাইস্কুল বন্ধের কারণ অনুসন্ধান

আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

৩৩ বছরের পুরনো ড্রেজার জুনিয়র হাইস্কুল বন্ধের কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ও নারায়ণগঞ্জের ড্রেজার অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীকে এ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের স্কুললটি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পাশাপাশি মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী ব্যারিস্টার কাজী আখতার হোসাইন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ ফরহাদ ও এএইচএম রেহানুল কবীর রনি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

গত ৩০ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৩৩ বছরের পুরনো স্কুল বন্ধ ঘোষণা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে ওই সংবাদটি সংযুক্ত করে জনস্বার্থে গত ৩০ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী কাজী আক্তার হোসেন। রিটে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, নারায়ণগঞ্জের ড্রেজার পরিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ বছরের কিশোরী সোনিয়া আক্তার। এক মাস আগেও তার পরিচয় ছিল স্কুলশিক্ষার্থী। এখন সে তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক। নারায়ণগঞ্জের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর মৌখিক নির্দেশনায় ৩৩ বছরের পুরনো ড্রেজার জুনিয়র হাইস্কুল বন্ধ ঘোষণার পর সোনিয়ার মতো শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ