২২শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলে জিয়াকে ঘাতকদের হাতে মরতে হতো না : গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী

আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পিরোজপুর প্রতিনিধি::গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম বলেছেন, ’৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা জাতীর পিতাকে হত্যা করেছিলো। আর এ হত্যার প্রধান কারন ছিলো আর্ন্তজাতিক চক্র। জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সলের ৬ এপ্রিল অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যাতে না হয় সে জন্য আইন করেছিলেন। আর আল্লাহর কি নির্মম বিচার তিনিও (জিয়াউর রহমান) ঘাতকের হাতে নিহত হন। প্রধান মন্ত্রী ও তার পরিবার কোন দুর্নীতি করেন না। তিনি দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স করেন। তার পরিবার কখনো কোন অবৈধ তদবির করেন না। খালেদা জিয়া ও তার পরিবার দুর্নীতির দায় আজ দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাভোগ করছেন। বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নাজিরপুর ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোন রকম গ্রুপিং করবেন না। আমাকে নিয়ে কারো স্লোগান দিতে হবে না। দলের স্লোগান দিবেন। তবেই হবে সংগঠন মজবুত। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সংগঠন করতে কারো তেল মাখবেন না।
শনিবার (৩১আগষ্ট) বিকালে নাজিরপুর সদর ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে ওই ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. সাইফুদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই শোক সভা’র আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. হাকিম হাওলাদার, পিরোজপুরের পৌর মেয়র মো. হাবিবুর রহমান মালেক, সিনিয়র সহসভাপতি মো. শাহজাহান খান তালুকদার, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার, জেলা আ’লীগের সহসাধারন সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান ফুলু, উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন খান, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল আহসান গাজী , জেলা পরিষদের সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. আক্তারুজ্জামান ফুলু ঢাকা দক্ষিনের ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন সাইফ, পিরোজপুর সদর উপজেরা ভাইস চেয়ারম্যান এসএম বায়েজিদ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মো. অলিউর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহারিয়ার রুনা, নাজিরপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, মটিভাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালাম প্রমুখ। এর আগে মন্ত্রী শনিবার সকালে উপজেলার ৮টি মন্দির সংস্কারের জন্য অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, আ’লীগ ক্ষমতায় এলে এদেশের হিন্দুরা সুখে শান্তিতে বসবাস করেন। অন্য দল ক্ষমতায় থাকলে তাদের (হিন্দু) জান-মালের কোন নিরাপত্তা থাকে না। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে এ চেক বিতরন করা হয়। এসময় উপজেলার ৮টি মন্দিরে ৮৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদারের সভাপতিত্বে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো. হায়াতুল ইসলাম খান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যক্ষ বিপুল বিহারী হালদার।
পরে মন্ত্রী দরিদ্র পরিবারের মাঝে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এ সময় ২০ জনকে ৬ হাজার টাকা করে মোট ১লাখ ২০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত কুমার সাহা, পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বনাথ বনিক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোজি আক্তার প্রমুখ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ