১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

ভয়াবহ খরার কবলে পড়বে ভারত

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

এবার ভারতে খরা আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ভারতের যে এলাকাগুলি এতদিন ‘খরাপ্রবণ’ বলে চিহ্নিত হয়নি, সেসব অঞ্চলেও এবার খরা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা দু’টি।

নাসা ও ইসরোর এক যৌথ পর্যবেক্ষণে এই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

দক্ষিণ এশিয়ায় গত চার বছর ধরে গবেষণাটি চালানো হয়েছে। তার প্রথম পর্বটি শেষ হয়েছে।

গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার’-এ।

গ্রীষ্মে দক্ষিণ এশিয়ার বায়ুমণ্ডলে যে বিপুল পরিমাণ অ্যারোসল কণা জমা হয়, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তার পরিমাণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বায়ুমণ্ডলে অ্যারোসলের স্তর গত চার বছরে এতটাই পুরু হয়ে গিয়েছে যে, তা বায়ুমণ্ডলের একেবারে নীচের স্তর ট্রপোস্ফিয়ার থেকে পৌঁছে গিয়েছে তার উপরের স্তর স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারেও।

গত বছরেই ভয়াবহ খরার কবলে পড়েছিল পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। নাসা, ইসরো জানিয়েছে, বায়ুমণ্ডলে অ্যারোসলের স্তর অত্যন্ত পুরু হয়ে যাওয়ায় ভারতে এবার সেই খরা আরও ভয়াবহ হতে পারে।

তিরুপতির ন্যাশনাল অ্যাটমস্ফেরিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির (এনএআরএল) আবহাওয়া বিজ্ঞানী মুরলী বেঙ্কট রত্নম বলেছেন, গবেষণার একটি ধাপ সবে শেষ হয়েছে। আমরা কাজ করেছি ‘এশিয়ান ট্রপোপোজ অ্যারোসল লেয়ার’ নিয়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, গাছপালা পোড়ানো ও কলকারখানা থেকে বেরিয়ে আসা বিষাক্ত গ্যাস ও ধোঁয়ায় ওই অ্যারোসল্‌স কণাদের জন্ম হয়। জীবাশ্ম জ্বালানির অতি ব্যবহারে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গিয়েছে অ্যারোসল কণার পরিমাণ। তার ফলে, অ্যারোসলের স্তর ভীষণ পুরু হয়ে গেছে। এর ফলে এবছর ভারতে আরও খরা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আমাদের চ্যানেল ৩৬৫ ফেসবুক লাইক পেজ